Monday, February 22, 2010

মিক্সড স্যালাড

এটা একদম আমার মস্তিষ্কপ্রসূত রেসিপি, আজ মন ভালো লাগছিলো না তাই বানালাম, দেখলাম দারুণ দাঁড়িয়েছে জিনিসটা, সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই বানিয়ে দেখতে। শুধু খেতে নয়, দেখতেও চমৎকার , অনেকরঙা খাবার আমার চোখ টানে খুব, বিশেষতঃ তা যদি প্রাকৃতিক রঙ হয়, ফুড কালার না হয়ে !

কী কী লাগবে

১। ১টা হলদেরঙা পাকা পীচ
২। ১টা / ভালো লাগলে দু'টো শসা - ছোট , কচকচে হলে ভালো হয়
৩। আঙুর - দু'রকমের সবুজ আর কালো - অল্পকিছু
৪। টমেটো - মাঝারি স্ট্রাস টমেটো হলে সবচেয়ে ভালো হয়, ভেতরের দানা ফেলে দিও প্লিজ
৫। লবণ - স্বাদ অনুযায়ী
৬। চিনি - লবণের ঠিক দেড়গুণ, মানে এক চা চামচ লবণ দিলে দেড় চা চামচ চিনি এরকম; আমি বানাই একটু বেশি চিনি দিয়ে কারণ আমি মানুষটা ভীষণ মিষ্টি কি'না :) :) !
৬। পুদিনা পাতা - ৫/৬টা ডাঁটিসহ আর ডাঁটির অংশটা অবশ্যই কুচি কুচি করে কেটে স্যালাডে দিতে হবে, শুধু পাতাতে ভিটামিন বা গন্ধ কোনোটারই তীব্রতা নেই। ফ্লেভার আনতে হলে মনে রেখো এ কথাটা।
৭। যে কোনো স্যালাড অয়েল যেটার ফ্লেভার পছন্দ করো আর না পাওয়া গেলে বা খাঁটি বাঙালি স্বাদের একটু ছোঁয়া চাইলে সরষের তেল - ১ অথবা দেড় টেবিল চামচ
৮। লেবু - হলদেরঙা বড় ( বিদেশে সুপারমার্কেটে লেমন হিসেবে পাওয়া যায় বাংলাদেশে সরবতি বা গন্ধরাজ লেবু হলে পারফেক্ট)
৯। কাঁচামরিচ- ১টা, কুচোনো
কী ভাবে বানাবো

১। শসা আর আঙুর ছোট ছোট টুকরো করতে হবে প্রথমে, এটা একদম ভীষণরকম জরুরী না'হলে ফলের ভেতর নুন চিনি তেল ঢুকবে না।
২। টমেটোটা লম্বা ফালি করে কাটতে হবে ভেতরের নরম অংশ ফেলে দিয়ে
৩। পীচটাকেও লম্বা ফালি করে কাটতে হবে
৪। এবার একটা স্বচ্ছ কাচের বাটিতে কাঁচামরিচ কুচি, পুদিনা পাতা, লবণ চিনি একসাথে মিশিয়ে নাও,একটু ভালো করে ফেটিয়ে নিতে পারো। এর মধ্যে সব কাটা ফলগুলো ঢেলে
আদ্ধেকটা লেবুর রস চিপে দিয়ে আবার মেশাও।
৫। সবশেষে সরষের তেলটা ফলের মিশ্রণের ওপর ছড়িয়ে আবারও চামচ দিয়ে মেশাও, যতক্ষণ না বাটির নীচে একটু খানি রস মতো জমা হয়েছে দেখতে পাবে।
রসটা চামচ দিয়ে একটু চেখে দেখলে বুঝতে পারবে স্বাদটা তোমার মনমতো হয়েছে কি'না!
এটা কি দিয়ে খাবে একদম তোমার ওপর নির্ভর করছে, আমি বলবো একদম শুধুই খেয়ে দ্যাখো না কেমন লাগে। লেট'স স্টার্ট, দেন, হ্যাপি কুকিং :) !

লেখা ও ছবি © সুবর্ণা সেঁজুতি

Sunday, February 21, 2010

ফ্রেঞ্চ টোস্ট ইন স্টাইল :)

আমরা সকলেই কম বেশি ফ্রেঞ্চ টোস্ট বানাতে জানি, কিন্তু একটু অনুপান যোগ করে নিলে জিনিসটার স্বাদ গন্ধ রূপ বহুগুণে বেড়ে যায় কি করে সেটা জানাতেই এই সুবর্ণা’স স্পেশাল ফ্রেঞ্চ টোস্ট।

অবশ্যই লাগবে

১. পাঁউরুটি – ৩/৪ টুকরো
২. ডিম – কমপক্ষে ৩টে (৪ টে হলে ভালো হয়)
৩. কাস্টার্ড সুগার বা গুঁড়ো চিনি – ১০০ গ্রাম (মিষ্টি বেশি চাইলে বেশি)
৪. রান্নার সাদা গন্ধহীন তেল – লাইট অলিভ অয়েল হলে স্মুথ হবে :)

হলে ভাল হয়

৫. একটুখানি দুধ – ছোট চায়ের কাপে আধাকাপ মতন হলেই হবে

হলে দারুণ হয়

৬. স্ট্রবেরি, কলা, পাকা পীচ এমনকি গরমের সময়ে ভালো পাকা আম ও চলতে পারে – যে কোনো নরম মিষ্টি ফল যা খেতে ভালোবাসো
৭. মধু বা মেপল সিরাপ

প্রণালী

ডিম ভালো করে ফেটাতে হবে। গন্ধ লাগলে দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। আমি নেই, কারণ তাতে জিনিসটার স্বাদ খোলে।

পাঁউরুটির টুকরোগুলোকে এই মিশ্রণে মিনিটখানিক ডুবিয়ে ঠিকমতো চারপাশ ভিজেছে কি’না দেখে নিতে হবে। সাবধান, বেশি হলে খুলে পড়ে যাবে, কম হলে শক্ত থাকবে!

এবার এগুলোকে একটা একটা করে ডুবো তেলে দু’পাশ সোনালীরঙা করে ভেজে ফেলো।

একটা প্লেটে সারি করে সাজিয়ে গরম অবস্থাতেই প্রথমে মধু ঢেলে নাও, তারপর ওপরে হালকা করে কাস্টার্ড সুগার ছড়িয়ে দাও।

আরো স্বাদ চাইলে ঝিরিঝিরি করে কাটা ফল টুকরোগুলোর ওপরে সাজিয়ে নিয়ে তারপর কাস্টার্ড সুগার দিতে পারো।

যা মনে রাখা খুব ইম্পরটেন্ট
  • কখনোই ডিম দুধের মিশ্রণে চিনি দেবে না। তাতে রুটি আগেই পুড়ে ক্যারামালাইজড হয়ে যায়
  • মধু গরম ভাজা রুটির ভেতরে ঢুকতে হবে, নইলে পানসে লাগবে
  • টক ফল যেমন স্ট্রবেরি দিলে তার ওপরে আবারও একটু মধু বা কাস্টার্ড দিয়ে দিতে পারো, টক কাটাতে!
ঠিক আছে, লেট আস এঞ্জয় ইট, এটা খুব তাড়াতাড়ি বানানো যায় আর খেতে দারুণ!

লেখা ও ছবি © সুবর্ণা সেঁজুতি

পোর্ক চপ / চিকেন ব্রেস্ট অমলেট

সময়: ১২-১৫ মিনিট।

যা যা লাগবে

  • হাড়হীন পোর্ক চপ / চিকেন ব্রেস্ট দু'টি: বাজার থেকে পাতলা স্লাইসের পোর্ক চপ কিংবা চিকেন ব্রেস্ট কিনে আনুন। বেশি পুরু হলে হবে না।
  • মুরগির ডিম, একটি-দু'টি
  • লবন, পরিমাণ মতো
  • গোলমরিচ গুঁড়া, পরিমাণ মতো
  • পার্সলি গুঁড়া, পরিমাণ মতো
  • তেল, পরিমাণ মতো

প্রণালী

ফ্রাইংপ্যানে তেল ছেড়ে দিয়ে ১ মিনিট গরম করুন। এর মাঝে ডিমে পরিমাণ মতো লবন আর গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে ফেটে নিন। শুধু খেয়াল রাখবেন আমরা পোর্ক চপ কিংবা চিকেন ব্রেস্টে কিন্তু কোনো মশলা দেবো না।

তেল গরম হয়ে গেলে তাতে পাশাপাশি দু'টো পোর্ক চপ কিংবা চিকেন ব্রেস্ট ফেলে দিয়ে ভাজতে থাকুন। হোয়াইট মিট খুব দ্রুত রান্না হয়। তাই মোটামুটি ৩/৪ মিনিট পরে, যখন দেখবেন উপরের অংশের রঙ সাদাটে হয়ে এসেছে, তখন উলটে দিন। উলটে দেয়া অংশ ভাজতে আরো ৩/৪ মিনিট অপেক্ষা করুন।

এবার মাংসের উপর দিয়ে ফেটানো ডিম এমন ভাবে ছড়িয়ে দিন যেনো দু'টো স্লাইসই ডিমে ঢেকে যায়। ডিমের নিচের অংশ ভাজতে ১/২ মিনিট লাগবে। ভাজা হয়ে গেলে ডিম আর মাংস একসাথে উলটে দিয়ে উলটানো অংশও ভাজুন।

এবার পুরো অমলেট প্যানকেকের মতো একটানে প্লেটে তুলে নিন। উপর দিয়ে একটু পার্সলি গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। ব্যাস! হয়ে গেলো। খুব বেশি হলে হয়তো ১৫ মিনিট লাগবে।

পোর্ক চপ / চিকেন ব্রেস্ট অমলেট সাবড়াতে পারেন রুটির টোস্টে পুরু মাখন লাগিয়ে। সাথে কেচাপ, পিকলস, আর গ্রিন অলিভস নিলে তো কথাই নেই!

বিশেষ দ্রষ্টব্য

চর্বি বেশি বলে পোর্ক চপ তেলে ফেললেই দেখবেন খুব তেল ছিটাচ্ছে। তাই এপ্রোন পড়ে নিতে ভুলবেন না।

© অমিত আহমেদ

Thursday, February 18, 2010

নামবিহীন মিষ্টি খাইদ্য

এই রান্না শুরু করার আগে বাসায় খুঁইজা দেখেন, কোন কঠিন পানীয় আছে কিনা... কঠিন পানিতে এলার্জি থাকলে ফলের জুস দিতে পারেন, তয় সেইটা আংগুর বা বেরী জুস হইলে ভালো হয়। যাউগ্গা জিনিসপাতি যা যা লাগবো সেইটার লিস্টি:
  • লেডি ফিংগার বিস্কুট ( দুকানে পাওয়া যাওয়ার কথা, নামেই বুঝা যাইতেছে মহিলাদের আংগুলের মতো দেখতে বিস্কুট... ভুলে ঢেঁড়স কিন্ন্যা ফেল্লে আমার দুষ নাই)- ৮টা পিস ( এক প‌্যাকেট কিনলেই হওয়ার কথা)।
  • তিন টেবিল চামচ কফি,
  • ৫ টেবিল চামচ আইসিং সুগার,
  • একটা ২৫০ মিলি হুইপিং ক্রিমের ডাব্বা,
  • একটা ২০০ গ্রাম ফিলাডেলফিয়া ক্রিম চিজ,
  • একটা কুকিং চকোলেটের বার (১৫০ গ্রাম)
  • আগের কথামতো এক চা চামচ ওয়াইন/হুইস্কি, নাইলে জুস (জুস ২/৩ চামচ দিতে পারেন, আমি আমার ক্লাসমেটদের জন্য বানাইছিলাম, কঠিন পানি বেশি দিয়া ফেল্লে ক্লাসে কে কি কইরা ফেলে ওই ভয়ে বেশি দেই নাই),
  • এক বাক্স স্ট্রবেরী (পাতলা কইরা টুকরা কইরা নিয়েন)।
প্রথমে আধা কাপ পানি, দুই টেবিল চামচ কফি, কঠিন পানি/জুস একলগে ডেকচিতে ঢাইলা জ্বাল দেন, লগে এক টেবিল চামচ আইসিং সুগার মিশান। বলক উঠলে নামাইয়া ফেলেন।

এখন ঘটনা হইলো ইলেকট্রিক বিটার লাগবে, ধইরা নিলাম আপনের সেইটা আছে। একটা বড়ো গোল বাটিতে হুইপিং ক্রিম ঢাইলা তার সাথে চার টেবিল চামচ আইসিং সুগার মিশান, এরপরে বিটার দিয়া যতো জোরে ইচ্ছা বিট করতে থাকেন, কিছুক্ষণ বাদেই ক্রিমটা ঘন হইয়া বার্থডে কেকের ক্রিমের মতো দেখতে হইয়া যাবে, তখন ফিলাডেলফিয়ার চিজ ঢাইলা আবারো ঘুঁটা দেন। ব্যাস ফিলিং তৈরী।

চুলায় একটা বড়ো ডেকচি বসান আর তাতে পানি ঢাইলা তার উপ্রে একটা ছোট ডেকচি বসান। কুকিং চকোলেট টুকরা কইরা ছোট ডেকচিতে রাইখা দেন, কিছুক্ষন বাদেই গইলা যাবে। (সোজা উপায় হিসাবে ওভেন প্রুফ বাটিতে কইরা চকোলেট মাইক্রোওয়েভে আধা মিনিট থেকে ৪০ সেকেন্ড রাখতে পারেন হাই পাওয়ারে, গইলা না গেলে আরো দশ সেকেন্ড বাড়াইতে পারেন)। এই গলানো চকোলেটের সাথে এক-দেড় টেবিল চামচ ফিলিং মিশাইয়া নিয়েন, পরে ঢালতে সুবিধা হবে।

একটা বড়োসড়ো দেইখা চারকোণা বাটি (টিফিন বাটি নিতে পারেন, শৌখিন রাঁধুনী হইলে কেক বানানের বাটিও থাকতে পারে) নেন... বাটিটা এট্টু উঁচা হইলে ভালো হয়। বাটিতে প্রথমে চাইরটা বিস্কিট বিছান, এর পরে কফির যেই বিদঘুটে রং এর জিনিসটা জ্বাল দিসিলেন সেইটা দিয়া বিস্কিটগুলারে ভিজাইয়া ফেলেন, ভিজাইয়া তেনা বানাইয়েন না... আবার শক্তও জানি না থাকে। এরপরে ক্রিম এর ফিলিং ঢালেন, বিস্কিটগুলা জানি ঢাইকা যায় এমন কইরা। বাকি চাইরটা বিস্কুট ওই কফির জুসে ভিজাইয়া এই ক্রিমের উপরে আবার বিছান। এরপরে সব ক্রিম ঢাইলা দেন আর চামচ দিয়া সমান করেন। এখন এর উপরে চকোলেটের মিশ্রণটা ঢালেন। আর এক বাটি স্ট্রবেরীর যতোটুক এখনও খাইয়া শেষ কইরা ফেলেন নাই ওইটারে একটু চিনির সিরায় জ্বাল দিয়া উপ্রে ঢাইলা দেন (যদি আপনার এখনও আর কোন এনার্জি টিক্যা থাকে), নাইলে কাঁচা স্ট্রবেরীও দিয়া দিতে পারেন, একটু পরে তো খাইয়াই ফেলবেন। বাপরে এইটা বানানো যে এতো ঝক্কির আগে বুঝি নাই, বুঝলে জীবনেও বানাইতাম না। বানাইতে গিয়া যতো না জটিল লাগছে তারচে বেশি জটিল লাগতেছে লিখতে গিয়া। এই বিশাল রন্ধনপ্রণালী পড়ার পরেও যদি আপনের মনে হয় আপনি এইটা বানাইতে চান, নিজ দায়িত্বে বানাইয়া ফেলেন... খাইতে অখাদ্য বা পেটে গোলমাল হইলে আমারে গালি দিয়েন না।

Wednesday, February 17, 2010

নারকেলের দুধের সবজি

I always see this vegetable at Indian grocery stores which looks like a baby version of the Deshi 'Potol'. So, during our last grocery expedition, we brought home this Unidentified Fascinating Object. Interestingly, once halved, it looks nothing like a 'Potol'. From the inside, it's a miniature version of a cucumber with tiny little seeds. I decided to make a curry instead of a usual 'Bhaji', mostly from the fear of not ending up with some non-edible disaster. Previous experience says that at moments like these, relying on the wonders of all spices available at hand is much better than deciding on a specific flavor. But in the end, a random scanning of the fridge ended with my gaze on the coconut milk can and a coconut milk curry. Except for me forgetting to put salt in it, it was quite good. We had it with Khubz with a side of Couscous Sautéed with spring onion.

যা যা দরকার
  • টিনডোরা - ৩ কাপ
  • আলু - ১ টা মাঝারি
  • পিয়াঁজ কুচি - ১/২ কাপ
  • লাল মরিচ গুড়া - ১/২ চা চামচ
  • হলুদ - ১/৪ চা চামচ
  • ধনিয়া গুড়া - ১/৪ চা চামচ
  • জিরা গুড়া - ১/৪ চা চামচ
  • নারিকেলের দুধ - ১/২ কাপ
  • ধনিয়া পাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
  • কাচা মরিচ - ২ টা
  • লেবুর খোসা - অল্প
  • তেল, লবন পরিমাণ মত
যেভাবে রান্না করা হলো

প্রথমে তেল গরম করে পিয়াঁজ দেওয়া হলো। পিয়াঁজ অল্প সিদ্ধ হয়ে গেলে গুড়া মশলাগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে সবজি দেওয়া হলো। কিছুক্ষণ শুকনো মশলাতে সবজি নাড়িয়ে অল্প অল্প পানি দিয়ে ভুনা হলো। মাখা মাখা পানি রেখে ঢেকে দেওয়া হলো। বলক আসলে নারকেলের দুধ মিশিয়ে দেওয়া হলো। ধনে পাতা কুচি দিয়ে ধীমা আঁচ রেখে আবার ঢেকে দেওয়া হলো। সিদ্ধ হয়ে গেলে কাচা মরিচ ও লেবুর খোসা কুচি দিয়ে চুলা নিভিয়ে ৪-৫ মিনিট ঢেকে রেখে নামিয়ে নেওয়া হলো।

Saturday, February 6, 2010

আনারকলি চিকেন

সময়: ৪৫ মিনিট

উপকরণ:

গ্রিল্ড মুরগির টুকরো (Grilled chicken strip) - ২ পাউন্ড
আনারস টুকরো (Sliced pineapple in its own juice) - ১ ক্যান (১২ আউন্স)
পিয়াঁজ - ১টা
রসুন কুচি - ১ চা চামচ
আদা-রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
উস্টাসিয়ার সস (Worcestershire sauce) - ২ টেবিল চামচ
ময়দা - ১ টেবিল চামচ
তেল - পরিমাণ মতো
লবন - পরিমাণ মতো
সবুজ বেল পিপার - ১টা
লাল বেল পিপার - ১টা
পার্সলে ও কাঁচামরিচ - সাজানোর জন্য
চিপটলে পিপার (Chipotle peppers) - (হট স্মোকি ফ্লেভারের জন্য)

যেভাবে তৈরি করতে হবে:

১। কড়াইয়ে তেল গরম হলে, তাতে পিয়াঁজ কুচি দিন। হাল্কা বাদামী হয়ে এলে, তাতে রসুন কুচি দিন।
২। দু’ মিনিট পর গ্রিল্ড চিকেন স্ট্রীপগুলো দিয়ে, মাঝারি আঁচে ভেজে নিন আরো মিনিট দশেক।
৩। ক্যান্ থেকে আনারসের টুকরো আর রস আলাদা করে ফেলুন। রসের সাথে উস্টাসিয়ার সস, চিপটলে পিপার, আদা-রসুন বাটা, ময়দা আর লবন গুলে কড়াইয়ে দিন। মঝারি আঁচে রাখুন আরো ১০ মিনিট। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।
৪। সবুজ ও লাল বেল পিপার কেটে, অল্প পানি দিয়ে ২ মিনিট মাইক্রোওভেনে দিন। এতে সবজিগুলোর রঙ ঠিক থাকবে।
৫। এবার কড়াইয়ে আনারসের টুকরো আর বেল পিপার দিয়ে আরও ২ মিনিট রাখুন।
৬। কাচাঁমরিচ আর পার্সলে দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

** উস্টাশিয়ার সস এর পরিবর্তে সয় সস ব্যবহার করতে পারেন।

© রাদিয়া নূর