এটা একদম আমার মস্তিষ্কপ্রসূত রেসিপি, আজ মন ভালো লাগছিলো না তাই বানালাম, দেখলাম দারুণ দাঁড়িয়েছে জিনিসটা, সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই বানিয়ে দেখতে। শুধু খেতে নয়, দেখতেও চমৎকার , অনেকরঙা খাবার আমার চোখ টানে খুব, বিশেষতঃ তা যদি প্রাকৃতিক রঙ হয়, ফুড কালার না হয়ে !
১। ১টা হলদেরঙা পাকা পীচ
২। ১টা / ভালো লাগলে দু'টো শসা - ছোট , কচকচে হলে ভালো হয়
৩। আঙুর - দু'রকমের সবুজ আর কালো - অল্পকিছু
৪। টমেটো - মাঝারি স্ট্রাস টমেটো হলে সবচেয়ে ভালো হয়, ভেতরের দানা ফেলে দিও প্লিজ
৫। লবণ - স্বাদ অনুযায়ী
৬। চিনি - লবণের ঠিক দেড়গুণ, মানে এক চা চামচ লবণ দিলে দেড় চা চামচ চিনি এরকম; আমি বানাই একটু বেশি চিনি দিয়ে কারণ আমি মানুষটা ভীষণ মিষ্টি কি'না :) :) !
৬। পুদিনা পাতা - ৫/৬টা ডাঁটিসহ আর ডাঁটির অংশটা অবশ্যই কুচি কুচি করে কেটে স্যালাডে দিতে হবে, শুধু পাতাতে ভিটামিন বা গন্ধ কোনোটারই তীব্রতা নেই। ফ্লেভার আনতে হলে মনে রেখো এ কথাটা।
৭। যে কোনো স্যালাড অয়েল যেটার ফ্লেভার পছন্দ করো আর না পাওয়া গেলে বা খাঁটি বাঙালি স্বাদের একটু ছোঁয়া চাইলে সরষের তেল - ১ অথবা দেড় টেবিল চামচ
৮। লেবু - হলদেরঙা বড় ( বিদেশে সুপারমার্কেটে লেমন হিসেবে পাওয়া যায় বাংলাদেশে সরবতি বা গন্ধরাজ লেবু হলে পারফেক্ট)
৯। কাঁচামরিচ- ১টা, কুচোনো
কী ভাবে বানাবো
১। শসা আর আঙুর ছোট ছোট টুকরো করতে হবে প্রথমে, এটা একদম ভীষণরকম জরুরী না'হলে ফলের ভেতর নুন চিনি তেল ঢুকবে না।
২। টমেটোটা লম্বা ফালি করে কাটতে হবে ভেতরের নরম অংশ ফেলে দিয়ে
৩। পীচটাকেও লম্বা ফালি করে কাটতে হবে
৪। এবার একটা স্বচ্ছ কাচের বাটিতে কাঁচামরিচ কুচি, পুদিনা পাতা, লবণ চিনি একসাথে মিশিয়ে নাও,একটু ভালো করে ফেটিয়ে নিতে পারো। এর মধ্যে সব কাটা ফলগুলো ঢেলে
আদ্ধেকটা লেবুর রস চিপে দিয়ে আবার মেশাও।
৫। সবশেষে সরষের তেলটা ফলের মিশ্রণের ওপর ছড়িয়ে আবারও চামচ দিয়ে মেশাও, যতক্ষণ না বাটির নীচে একটু খানি রস মতো জমা হয়েছে দেখতে পাবে।
রসটা চামচ দিয়ে একটু চেখে দেখলে বুঝতে পারবে স্বাদটা তোমার মনমতো হয়েছে কি'না!
এটা কি দিয়ে খাবে একদম তোমার ওপর নির্ভর করছে, আমি বলবো একদম শুধুই খেয়ে দ্যাখো না কেমন লাগে। লেট'স স্টার্ট, দেন, হ্যাপি কুকিং :) !
লেখা ও ছবি © সুবর্ণা সেঁজুতি




