আমরা সকলেই কম বেশি ফ্রেঞ্চ টোস্ট বানাতে জানি, কিন্তু একটু অনুপান যোগ করে নিলে জিনিসটার স্বাদ গন্ধ রূপ বহুগুণে বেড়ে যায় কি করে সেটা জানাতেই এই সুবর্ণা’স স্পেশাল ফ্রেঞ্চ টোস্ট।
অবশ্যই লাগবে
১. পাঁউরুটি – ৩/৪ টুকরো
২. ডিম – কমপক্ষে ৩টে (৪ টে হলে ভালো হয়)
৩. কাস্টার্ড সুগার বা গুঁড়ো চিনি – ১০০ গ্রাম (মিষ্টি বেশি চাইলে বেশি)
৪. রান্নার সাদা গন্ধহীন তেল – লাইট অলিভ অয়েল হলে স্মুথ হবে :)
হলে ভাল হয়
৫. একটুখানি দুধ – ছোট চায়ের কাপে আধাকাপ মতন হলেই হবে
হলে দারুণ হয়
৬. স্ট্রবেরি, কলা, পাকা পীচ এমনকি গরমের সময়ে ভালো পাকা আম ও চলতে পারে – যে কোনো নরম মিষ্টি ফল যা খেতে ভালোবাসো
৭. মধু বা মেপল সিরাপ
ডিম ভালো করে ফেটাতে হবে। গন্ধ লাগলে দুধ মিশিয়ে নিতে হবে। আমি নেই, কারণ তাতে জিনিসটার স্বাদ খোলে।
পাঁউরুটির টুকরোগুলোকে এই মিশ্রণে মিনিটখানিক ডুবিয়ে ঠিকমতো চারপাশ ভিজেছে কি’না দেখে নিতে হবে। সাবধান, বেশি হলে খুলে পড়ে যাবে, কম হলে শক্ত থাকবে!
এবার এগুলোকে একটা একটা করে ডুবো তেলে দু’পাশ সোনালীরঙা করে ভেজে ফেলো।
একটা প্লেটে সারি করে সাজিয়ে গরম অবস্থাতেই প্রথমে মধু ঢেলে নাও, তারপর ওপরে হালকা করে কাস্টার্ড সুগার ছড়িয়ে দাও।
আরো স্বাদ চাইলে ঝিরিঝিরি করে কাটা ফল টুকরোগুলোর ওপরে সাজিয়ে নিয়ে তারপর কাস্টার্ড সুগার দিতে পারো।
যা মনে রাখা খুব ইম্পরটেন্ট
- কখনোই ডিম দুধের মিশ্রণে চিনি দেবে না। তাতে রুটি আগেই পুড়ে ক্যারামালাইজড হয়ে যায়
- মধু গরম ভাজা রুটির ভেতরে ঢুকতে হবে, নইলে পানসে লাগবে
- টক ফল যেমন স্ট্রবেরি দিলে তার ওপরে আবারও একটু মধু বা কাস্টার্ড দিয়ে দিতে পারো, টক কাটাতে!
লেখা ও ছবি © সুবর্ণা সেঁজুতি

3 Comments:
দারুণ!
বিশেষ করে শেষের ফুটনোটটা খুব কাজের :)
এটা আমার নানুবিবি ওরফে নানীর শেখানো অনেক ছোটবেলার একটা টিপস। সত্যিই কাজ দেয় কিন্তু !আচ্ছা আমি কিন্তু অন্য একটা সাইট থেকে ফোনেটিকে লিখে এখানে কপি পেস্ট করছি। সরাসরি এখানে ফোনেটিকে লেখা যায় কি?
এখানে সরাসরি বাংলায় টাইপ করতে হলে অভ্র কীবোর্ড ডাউনলোড করে নিতে হবে।
Post a Comment