- মাঝারি আকারের মুরগি;
- একটা/দুইটা বড় লাল পেয়াজ (red onion);
- তিন/চারটা কাঁচা মরিচ (green chili, না থাকলেও চলবে);
- দুই/তিনটা সাদা আলু (yellow Potatoes, না থাকলেও চলবে);
- দুই চা চামচ রসুন (garlic) বাটা;
- এক চা চামচ আদা (ginger) বাটা;
- দুই চা চামচ জিরা (cumin) গুঁড়া;
- এক চা চামচ ধনে (coriander) গুঁড়া;
- এক/দেড় চা চামচ হলুদ (turmeric) গুঁড়া;
- দেড়/দুই চা চামচ লাল মরিচ (red chili) গুঁড়া (বেশি ঝাল চাইলে একটু বেশিও দিতে পারেন);
- তিন/চারটা এলাচ (green cardamom);
- দুই/তিন টুকরো দারচিনি (cinnamon);
- দুই/তিনটা তেজপাতা (malabathrum);
- চার/পাঁচটা লবঙ্গ (dried cloves, না দিলেও চলবে, কিন্তু দিলে স্বাদ খুলে যাবে)
- তেল (সরিষার তেল বাদে যে কোনো তেলেই চলবে)
মুরগি রান্নার প্রধান জিনিস হচ্ছে মশলার অনুপাত। এই জিনিসটা যদি একবার ধরে ফেলতে পারেন, তাহলে দেখবেন এর চেয়ে সহজ রান্না আর খুব বেশি নেই। তখন নিজের রসনা বুঝে সেই স্বাদে মুরগির ঝোল রান্না করতে পারবেন।
প্রথমে সস-প্যানে পরিমাণ মতো তেল ঢেলে মাঝারি উষ্ণতায় গরম করতে দিয়ে; কুচি-কুচি করে পেয়াজ কাটতে থাকুন। পেয়াজ কাটা শেষ হলে সস-প্যানে ঢেলে ঢেকে দিন।
যদি আলু দেবার ইচ্ছে থাকে তাহলে এই ফাঁকে আলুগুলো চারকোনা করে কেটে নিন। কাঁচা মরিচও ফালি-ফালি করে কেটে হাতের কাছে রাখুন।
কাটা শেষ হতে হতে দেখবেন পেয়াজ নরম হয়ে এসেছে।
পেয়াজে রসুন বাটা, আদা বাটা আর পরিমাণ মতো লবন দিয়ে ৩০ সেকেন্ডের মতো ভাজুন। এপরে সব গুঁড়া মশলা (জিরা, ধনে, হলুদ, মরিচ) ঢেলে দিয়ে আরো ৩০/৪০ সেকেন্ড ভাজুন। যাতে পুড়ে না যায় এজন্য মাঝে মাঝে একটু নেড়ে দেবেন।
মশলা ভাজা শেষ হলে একগ্লাস পান ঢেলে আস্ত মশলাগুলো (এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ, কাঁচা মরিচ) দিয়ে এক মিনিটের জন্য ঢেকে দিন।
এক মিনিট বাদে সস-প্যানে মাংস আর আলু ঢেলে একটু নেড়ে নিন; এরপরে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে; চুলার উষ্ণতা বাড়িয়ে দিয়ে; সস-প্যান ঢেকে দিন।
৩০/৪০ মিনিটের মধ্যেই আলু আর মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে বুঝবেন রান্না শেষ।
[মাংস বিষয়ক ফুটনোট]
© অমিত আহমেদ

0 Comments:
Post a Comment