Tuesday, March 3, 2009

লাউ চিংড়ি


সময়: ৪০-৫০ মিনিট
যা যা লাগবে:

  • ছোট্ট আকারের লাউ (calabash, কিংবা bottle-gourd);
  • একমুঠো চিংড়ি (যে কোনো মাঝারি আকারের চিংড়িতেই চলবে; আমি বাঙালি দোকানে গেলে হরিণা চিংড়ি কিনি। ইংরেজীতেও একে Harina shrimp-ই বলে);
  • একটা বড় পেয়াজ (red onion, লাল যেটা, সালাদে দেবার সাদাটা নয়);
  • তিন-চারটে কাঁচা মরিচ (green chili, না থাকলে শুধু গুঁড়া মরিচেও চলবে);
  • আধা চা চামচ হলুদ (turmeric) গুঁড়া;
  • আধা চা চামচ মরিচ (chili) গুঁড়া (কাঁচা মরিচ না থাকলে এক চামচ দেবেন);
  • আধা চা চামচ ধনে (coriander) গুঁড়া;
  • এক চা চামচ জিরা (cumin) গুঁড়া;
  • এক চা চামচ রসুন (garlic) বাটা (না হলেও চলবে, তবে দিলে স্বাদ বাড়বে);
  • তেল (সরিষার তেল বাদে যে কোনো তেলেই চলবে)।
বৈদেশে থাকলে আপনি নিশ্চই হিমায়িত চিংড়ি কিনবেন। সেক্ষেত্রে প্রথমেই চিংড়ি ডিফ্রস্ট [নির্দেশনা] করে নিন। ডিফ্রস্ট করা চিংড়িতে সামান্য হলুদ আর লবন মাখিয়ে রাখুন।

চুলায় সস-প্যান (রান্নার জন্য) আর ফ্রাই-প্যান (চিংড়ি ভাজার জন্য) রেখে সামান্য তেল গরম করতে থাকুন।

তেল গরম হতে হতে পেয়াজ কুচি কুচি করে কেটে সস-প্যানের গরম তেলে ভাজতে থাকুন। সস-প্যান ঢেকে দিন। পেয়াজ নরম হয়ে না আসা পর্যন্ত ভাজতে হবে। ফ্রাই-প্যানেও চিংড়ি ভাজতে দিন।

এই ফাঁকে লাউ চারকোনা করে আর কাঁচা মরিচগুলো ফালি ফালি করে কেটে ফেলুন। কাটা শেষ হতেই দেখবেন পেয়াজ আর চিংড়ি ভাজা হয়ে গেছে।

পেয়াজে সব মশলা (কাঁচা মরিচ বাদে) আর পরিমাণ মতো লবন ঢেলে দিয়ে ৩০ সেকেন্ড ভাজুন মতো। এরপরে একগ্লাস পানি ঢেলে আরো ৩০ সেকেন্ডের জন্য ঢেকে দিন। এরপরে লাউ, চিংড়ি আর মরিচ ঢেলে দিয়ে পরিমাণ মতো পানি দিন (যেমন ঝোল চান)।

লাউ নরম হয়ে গেলেই বুঝবেন রান্না শেষ।

[সবজি বিষয়ক ফুটনোট]

© অমিত আহমেদ

2 Comments:

Radiya said...

Tried this one.
Awesome.
:)

Aumit Ahmed said...

আমার রেসিপি সার্থক :P